প্রশাসনিক
সভাপতি
ডা. হাকীম মোঃ ইউছুফ হারুণ ভূঁইয়া
সভাপতি
নোয়াখালী জেলার ঐতিহ্যবাহী চন্দ্রগঞ্জ কারামতিয়া কামিল মাদ্রাসার ফলাফলের ক্রমোন্নতিশীল গতিতে ইসলামী সাহিত্যের বৈচিত্র্য আনয়নে সক্ষম হবে বলে আমার বিশ্বাস। অত্র মাদ্রাসার সভাপতি ও হামদর্দ ল্যাবরেটরীজ (ওয়াক্ফ) বাংলাদেশের পক্ষ থেকে মাদ্রাসার সফলতার জন্য আল্লাহ তালার দরবারে প্রত্যাশাবাদ ব্যক্ত করছি।
অধ্যক্ষ
মুহাম্মদ ছেরাজুল করিম ভূঁঞা
অধ্যক্ষ
উপলব্দির উপস্থাপনাই মানুষকে মহৎ মানুষের কাতারে দাঁড় করিয়ে দেয়। জীবনের বিচিত্র সাধে সাহিত্যের সোনালী ফসল উঠানোর জন্য মাদরাসা প্রতিষ্ঠিত। নৈসর্গিক সৌন্দর্যের ছায়ায় লালিত ধর্মানুভূতির লীলাভূমি নোয়াখালী জেলার বেগমগঞ্জ উপজেলার অতি ইসলামী অনুশাসনের চর্চা কেন্দ্র চন্দ্রগঞ্জ কারামতিয়া কামিল মাদরাসা ছাত্রদের মননের বিকাশের লক্ষ্যে বার্ষিকী প্রকাশমুখী। সাহিত্য মানব মনের পরিপুষ্টি সাধন করে। সাহিত্যের দর্শণীয় ছায়ার শিক্ষার্থীরা সুমিত পথের যাত্রীতে পরিণত হয়। মাদরাসা বার্ষিকী তাদের উপলদির সোনালী ফসল। বার্ষিকী প্রকাশের ক্ষেত্রে প্রাপ্ত লিখার তালিকা অনেক বড়। এক্ষেত্রে সবার মানসিক গতিকে অভিনন্দন জানাই। আয়তনের সীমাবন্ধতা হেতু অনেক লিখা ছাপানো সম্ভব হলোনা। যাদের লিখা প্রকাশ পেলনা তাদের জন্য আন্তরিক সহানুভূতি। সাহিত্য রসের মানদণ্ড বিচারে ভিমিত পর্যায়ের জেনেও কিছু লিখা ছাপিয়েছি। তা শুধু শতি প্রাপ্তির প্রত্যাশায়। সাহিত্য চর্চার খুবণ ঘটাতে মাদ্রাসা না ान প্রতি হতে আগামীর নিশ্চি মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের প্রতি আল্লাহ আমাদের আন্তরিক সদিচ্ছা থাকা সত্ত্বেও বার্ষিকীকে মনের মত করে তোলা হয়ত সম্ভব হয়নি। সময়ের স্বল্পতা হেতু অনিচ্ছাকৃত ভুল-ত্রুটির জন্য ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টি দিলে আমাদের শ্রম সার্থক মনে করব। বার্ষিকী প্রকাশের ক্ষেত্রে যাঁরা আর্শিবাদ বাণী, সার্বিক সহযোগিতা ও উৎসাহ প্রদান করেছেন তাঁদের নিকট আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ। আবারো অনিচ্ছকৃত ভুলের জন্য মনোরম ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টি কামনা করে, কৃতকার্যতার ভার পাঠকদের উপর ছেড়ে দিয়ে অনিবার্য স্বপ্নের ছোয়া বুকে লালন করে দায়িত্বভারের প্রান্তিকে এলাম। পলিজোড়া মনের দীর্ঘশ্বাসের সুনিপুন গাথুনির সমৃদ্ধ সাহিত্য অভারের প্রত্যাশায় আল্লাহর দরবানে আমাদের সবার মঙ্গল কামনা করছি। আমিন।